হাটহাজারী
(চট্টগ্রাম) প্রতিবেদকঃ
চট্টগ্রামের
হাটহাজারীতে ১ হাজার ২০০
কৃষক-কিষাণীর মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ
করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে
আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষকদের হাতে এসব কার্ড
তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভূমি ও
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল
উদ্দীন। তিনি কৃষকদের উন্নয়ন
ও তাদের সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তনে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী
বলেন, কৃষকদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষকদের আরও বেশি সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
এ সময় তিনি হাটহাজারীর
কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচিকে
গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে
দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে আয়োজিত ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ
কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন। ফেনী জেলা
প্রান্ত থেকে যুক্ত হয়ে
তিনি হাটহাজারীর কর্মসূচির সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীর কাছে জানতে চান।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর
মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন হাটহাজারীর কৃষকদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর
প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, কৃষকদের
জন্য এই সহায়তা কর্মসূচিতে
স্থানীয় কৃষক-কিষাণীদের মধ্যে
উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে।
নিজ
বক্তব্যে হাটহাজারী ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন
উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথাও তুলে ধরেন
প্রতিমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন,
সাম্প্রতিক সময়ে হাটহাজারীতে বিভিন্ন
ক্ষেত্রে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম জোরদার হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এসব
কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
দেশের
অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও কৃষিখাতকে আরও
শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব
দিয়ে তিনি রাজনৈতিক নেতাকর্মী,
জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের
সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান
জানান। একই সঙ্গে দেশের
স্বার্থবিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আল ফোরকান, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপপরিচালক আপ্রু মারমা এবং হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মুমিন।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয়
জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, কৃষি বিভাগের সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।